এমারেল্ড অয়েলের উৎপাদন বন্ধ : ডিএসইতে নোটিস

emerland
শেয়ারটাইম্‌স২৪ডটকম: উৎপাদন বন্ধের খবর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) জানালো শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত খাদ্য ও আনুষাঙ্গিক খাতের কোম্পানি এমারেল্ড অয়েল লিমিটেডের পারিচালনা পর্ষদ। ডিএসই এক নোটিসে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের জের ধরে এমারাল্ড অয়েলের উৎপাদন বন্ধের বিষয় জানতে নোটিশ দেয় ডিএসই। এর জবাবে মেশিনারিজ ও সরঞ্জামদি মেরামতের কারণে গত ২৭ জুন থেকে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে বলে জানায় এমারেল্ড অয়েল। আর আগামী ২০ আগস্ট থেকে কোম্পানিটি ফের উৎপাদন শুরু করবে বলেও জানিয়েছে।

তবে মেশিনারিজ পুরোপুরি মেরামত করতে সর্বপরি ৩৫ থেকে ৪০দিন পর্যন্ত সময় লাগবে। আর বর্ষাকলের জন্য এ কাজে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটেছে বলেও কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

জানা যায়, চলতি বছরের শুরুর দিকেই এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজের মিলে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অর্থ আত্মসাতের দায়ে একাধিক উদ্যোক্তার নামে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা ও ব্যাংকের কাছে বড় দেনার কারণে কোনো ব্যাংকের কাছ থেকে চলতি মূলধনও পাচ্ছে না কোম্পানিটি।

তবে কর্মকর্তারা বলছেন, সব সমস্যা কাটিয়ে দ্রুতই উৎপাদন শুরু করতে পারবে তারা। কোম্পানির দায়িত্বশীল অন্য কর্মকর্তারা বলছেন, বর্ষায় কাঁচামাল সংকটের কারণে তাদের উৎপাদন সাময়িক বন্ধ থাকে। তবে কারখানায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চলতি বছরের শুরুর দিকেই এমারাল্ড অয়েলের রাইস ব্র্যান অয়েল মিলে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়, যা এখনো চালু হয়নি। টেকনিশিয়ানসহ অনেক কর্মী এরই মধ্যে চলে গেছেন।

প্রাপ্ত তথ্য মতে, কারখানার সর্বোচ্চ সক্ষমতা ব্যবহার করতে গেলে প্রতিদিন ৩০০ টন কাঁচামাল প্রয়োজন হবে এমারেল্ড অয়েলের, যার বাজারমূল্য প্রায় ৭০ লাখ টাকা। কারখানা চালু করতে অন্যান্য খরচসহ প্রতিদিন ১ কোটি টাকা ব্যয় হবে তাদের। তবে কারখানা চালুর পর সব প্রক্রিয়া শেষ করে উৎপাদিত তেল বাজারে বিক্রি করে এর দাম তুলে আনতে কমপক্ষে ১৫ দিন সময় লাগবে।

সে হিসেবে ধারাবাহিক উৎপাদনের জন্য চলতি মূলধন প্রয়োজন হবে ১৫ কোটি টাকার বেশি। অথচ কোম্পানির হাতে এ পরিমাণ অর্থ নেই। আর সার্বিক আর্থিক অবস্থা ও ব্যাংকঋণ ইস্যুতে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের বিরুদ্ধে দুদকের চলমান মামলার কারণে কোনো ব্যাংক তাদের চলতি মূলধন জোগাতে এগিয়ে আসছে না।