ডিএসইর শেয়ারহোল্ডার পরিচালক নির্বাচন: বিজয়ী হলেন যারা

dsea
শেয়ারটাইম্‌স২৪ডটকমঃ দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) শেয়ারহোল্ডার পরিচালক নির্বাচনের ফলাফল জানা গেছে। শেয়ারহোল্ডার পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন র‍্যাপিড সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হানিফ ভূইয়া এবং সার সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ আতাউর রহমান।

আজ মঙ্গলবার ডিএসই লবিতে সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে এ ভোট গ্রহণ শুরু হয়। যা বিকাল ৪টা পর্যন্ত কোনো বিরতি ছাড়াই চলে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, এই ২ পদের জন্য ৪ জন প্রার্থী লড়াই করেছেন। নির্বাচিত না হওয়া অন্য দুইজন হলেন কান্ট্রি স্টক বাংলাদেশ হাউজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খাজা আসিফ আহমেদ ও ধানমন্ডি সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান খান। বিজয়ী হানিফ ভূইয়া পেয়েছেন ১৪৯ ভোট এবং শরীফ আতাউর রহমান পেয়েছেন ১১৪ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খাজা আসিফ আহমেদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট ও মিজানুর রহমান খান পেয়েছেন ৭৭ ভোট। এ নির্বাচনে মোট ২২২টি ভোট পড়ে। এর মধ্যে ৪টি ভোট বাতিল করা হয়েছে।

এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল ঘোষণার পর ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য তাদের প্রতিনিধি পরিবর্তনের সময়সীমা নির্ধারিত ছিল। সেদিনই ভোটারদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হয় এবং চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি। আর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র ফরম সংগ্রহ ও জমাদানের তারিখ নির্ধারিত ছিল। আর নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ছিল ১৪ মার্চ। এদিনই দুই পরিচালকের শূন্যপদে নির্বাচনের জন্য যোগ্য চারজন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য, ডিমিউচুয়ালাইজেশনের আইন অনুসারে স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদে মোট ১৩ জন সদস্য থাকেন। এর মধ্যে সাতজন স্বতন্ত্র পরিচালক, চারজন শেয়ারহোল্ডার পরিচালক ও একজন কৌশলগত বিনিয়াগকারী পরিচালক এবং স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদাধিকারবলে পর্ষদ সদস্য হিসেবে থাকেন। শেয়ারহোল্ডার পরিচালকরা স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হন। কারো মেয়াদ শেষ হওয়ার পর শূন্যপদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করে ডিএসই। সর্বশেষ ২০১৬ সালে শেয়ারহোল্ডার পরিচালক নির্বাচনের মাধ্যমে ডিএসইর পর্ষদে আসেন স্টক এক্সচেঞ্জটির সাবেক সভাপতি মো. রকিবুর রহমান।