২০ ব্যাংকের ইপিএস বেড়েছে

bank34
শেয়ারটাইম্‌স২৪ডটকমঃ তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারী-সেপ্টেম্বর’১৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতে থাকা ৩০ কোম্পানি। এর মধ্যে গত নয় মাসে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে ২০টির আর কমেছে ৯ টির । আর আইসিবিআই এখনো লোকসানেই অবস্থান করছে। ব্যাংকগুলোর প্রকাশিত তৃতীয় প্রান্তিকের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৫৬ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৭.৫০ টাকা (মাইনাস) এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৫.৩৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৫৯ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ১২.০৪ টাকা এবং এনএভিপিএস ছিলো ১৩.৬২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৯৭ টাকা বা ১৬৪.৪১ শতাংশ।

গত তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.১৫ টাকা।

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৬১ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ২.৪৪ টাকা ছিল। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৭ টাকা বা ৬.৯৭ শতাংশ । এছাড়াও কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩০.৭৯ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকরি নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.২৩ টাকা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৩০.৫৫ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকরি নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) ছিল ১৪.৪৭ টাকা।

গত তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৩৩ টাকা।

এক্সিম ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯৪ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৮.২১ টাকা (নেগেটিভ) এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৭.৫৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৩১ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ১.৮৫ টাকা (নেগেটিভ) এবং এনএভিপিএস ছিলো ১৬.৫৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৬৩ টাকা বা ২০৩.২৩ শতাংশ।

গত তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪৮ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.০৮ টাকা।

আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৭১ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৬.১০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৮.৩৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.০৯ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ৬.১২ টাকা এবং এনএভিপিএস ছিলো ১৭.৬২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৬২ টাকা বা ৫৬.৮৮ শতাংশ।

গত তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৭ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৩৮ টাকা।

এসআইবিএলের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০১ টাকা (সলো)। যা আগের বছরের একই সময়ে ০.৬১ টাকা ছিল। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৪০ টাকা বা ৬৫.৫৭ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৭.১২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ১৭.১৬ টাকা।

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.১৪ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের সমন্বিত পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.২৩ টাকা (মাইনাস)। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৩৬ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ১৪.৩৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৭৮ টাকা। আর ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬.৩৯ টাকা। যা ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত এনএভিপিএস হয়েছিলো ১৫.৬০ টাকা।

এদিকে গত তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৫) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৩৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিলো ১.১৭ টাকা।

ট্রাস্ট ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.১৭ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২.৮১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৩৬ টাকা বা ১২.৮১ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া আলোচিত সময়ে ব্যাংকের শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২১.৯১ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ২৩.০১ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে ২০.৬৯ টাকা এবং ১৮.৫৮ টাকা।

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭৪ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.২০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬.০১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৭৩ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ৪.৫৭ টাকা (নেগেটিভ) এবং এনএভিপিএস ছিলো ১৫.৪৪ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.০১ টাকা।

গত তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৩৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত লোকসান ছিল ০.৪৫ টাকা।

প্রিমিয়ার ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫০ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৩৬ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৫.৮৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৪১ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ১.২১ টাকা এবং এনএভিপিএস ছিলো ১৫.৫৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.০৯ টাকা বা ২১.৯৫ শতাংশ।

গত তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.১০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত লোকসান ছিল ০.২১ টাকা।

ওয়ান ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৯৯ টাকা, সমন্বিত শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৯.৬৬ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৭.০৮ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.৭৩ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ১১.৮৪ টাকা এবং এনএভিপিএস ছিল ১৬.৪০ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.২৬ টাকা বা ১৫ শতাংশ।

এছাড়া গত তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৯৩ টাকা।

এনসিসি ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯৭ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৯৪ টাকা। সে হিসেবে ব্যাংকটির ইপিএস বেড়েছে ০.০৩ টাকা বা ৩.১৯ শতাংশ। এছাড়া ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ২.৫৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৭.৩৮ টাকা। যা আগের বছর একই সময় যথাক্রমে ছিল ০.৯৩ টাকা এবং ১৭.৩৬ টাকা।

এদিকে, গত তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টম্বর’১৬) ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪২ টাকা এবং এনওসিএফপিএস হয়েছে ০.৯৭ টাকা।

ন্যাশনাল ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২৪ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.৩১ টাকা (নেগেটিভ) এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬.৮১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৭৮ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ৬.২৭ টাকা এবং এনএভিপিএস ছিলো ১৭.৯০ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৪৬ টাকা বা ৫৮.৯৭ শতাংশ।

গত তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.১৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.২১ টাকা।

এমটিবির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.১৮ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১১.০৬ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২০.৯৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২.০৬ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ৬.৩১ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত এনএভিপিএস ছিলো ২০.১৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.১২ টাকা বা ৫.৮২ শতাংশ।

গত তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৯৩ টাকা।

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১.৭৬ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৬৪ টাকা। দেখা যাচ্ছে এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির ইপিএস ১৭৫ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া চলতি বছরের ৯ মাসে শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২১.৬০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৬.৩৯ টাকা।

এদিকে, গত তিন মাসে জুলাই’১৬ থেকে সেপ্টেম্বর’১৬ পর্যন্ত ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ০.৪৩ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.১৪ টাকা।

যমুনা ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২৪ টাকা যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.১৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১১ টাকা বা ৯.৭৩ শতাংশ। এছাড়া তিন প্রান্তিক মিলে কোম্পানির সমন্বিত শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাড়িয়েছে ২৪.২৯ টাকা, যা আগের বছর ছিল ২৩.৭১ টাকা। একই সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমান দাড়িয়েছে ৯.৯৩ টাকা (নেগেটিভ), যা আগের বছর ছিল ৪.৯০ টাকা।

গত তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৬) এ কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ০.২৪ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৩৮ টাকা।

আইএফআইসি ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.১০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.৭২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৩৮ টাকা।একই সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৯.৪১ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৮ টাকা। এছাড়া কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৩.৯৮ টাকা। এছাড়া ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত এনএভিপিএস ছিল ২১.৯৪ টাকা।

গত তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬৭ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৪৫ টাকা।

ইস্টার্ন ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সম্মনিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.০৩ টাকা। যা আগেরবছরের একই সময়ে ২.৯৪ টাকা ছিল। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৯ টাকা বা ৩.০৬ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্মনিত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২৮.৮০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্মনিত কার্যকরি নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৭.০২ টাকা (নেগেটিভ)।

সিটি ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৭৮ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ২.৬৩ টাকা। সে হিসেবে ব্যাংকটির ইপিএস বেড়েছে ০.১৫ টাকা বা ৫.৭০ শতাংশ। এছাড়া ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.৮৩ টাকা (নেগেটিভ) এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২৮.১৮ টাকা। যা আগের বছর একই সময় যথাক্রমে ছিল ১৮.৮০ টাকা এবং ২৮.০৭ টাকা।

এদিকে, গত তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টম্বর’১৬) ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪৮ টাকা এবং এনওসিএফপিএস হয়েছে ২.৪৬ টাকা। যা আগের বছর একই সময় যথাক্রমে ছিল ১ টাকা এবং ১৯.৪৭ টাকা।

ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৬২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ২৯.৬১ টাকা। যা গত বছরে একই সময় ছিল যথাক্রমে ২.৩০ টাকা এবং ২৭.৪৯ টাকা। এছাড়া গত ৩ মাসে (জুলাই- সেপ্টেম্বর’২০১৬) ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১.১০ টাকা। যা গত বছর একই সময় ছিল ০.৮৬ টাকা।

এবি ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৮৪ টাকা, সমন্বিত শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৪৪.৪৬ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৩৫.৯৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.৪০ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ৭.৭০ টাকা এবং এনএভিপিএস ছিলো ৩১.৫৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৪৪ টাকা বা ৩১.৪৩ শতাংশ।

এছাড়া গত তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৩৭ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.১৫ টাকা।

লোকসানে থাকা ব্যাংকগুলো হলো- ব্যাংক এশিয়া, ঢাকা ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, প্রাইম ব্যাংক, ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক এবং রূপালী ব্যাংক। আর লোকসানে রয়েছে আইসিবি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড।

তৃতীয় প্রান্তিকে ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৯৬ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.২০ টাকা (মাইনাস) এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২৪.১২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২.৪২ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ১০.৯১ টাকা (নেগেটিভ) এবং ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত এনএভিপিএস ছিলো ২৪.২৪ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ০.৪৬ টাকা বা ১৯ শতাংশ।

গত তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৪৫ টাকা।

তৃতীয় প্রান্তিকে ব্যাংক এশিয়ার শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭৮ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.৫৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস কমেছে ০.৭৯ টাকা বা ৫০.৩০ শতাংশ।

ঢাকা ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৬৭ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.৯৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস কমেছে ০.২৮ টাকা বা ১৪.৩৫ শতাংশ।

ডাচ–বাংলা ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭.৬৪ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ৮.৮১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস কমেছে ১.১৭ টাকা বা ১৩.২৮ শতাংশ।

পূবালী ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.১৯ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ২.৩২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস কমেছে ১.১৩ টাকা বা ৪৮.৭০ শতাংশ।

সাউথইস্ট ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৪৯ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ২.৫৬ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস কমেছে ০.০৭ টাকা বা ২.৮১ শতাংশ।

উত্তরা ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৯১ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ২.৭৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস কমেছে ০.১৬ টাকা বা ৫.৮১ শতাংশ।

তৃতীয় প্রান্তিকে রূপালী ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ৮.৭৬ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ৩৯.৫৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের সমন্বিত পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৩৫.৪৬ টাকা । যা আগের বছর একই সময় শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৭০ টাকা, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত এনএভিপিএস ছিল ৪৬.৫০ টাকা এবং এনওসিএফপিএস ছিল ২৬.১৬ টাকা। সে হিসেবে গত ৯ মাসে শেয়ার প্রতি আয় কমেছে ৯.৪৬ টাকা বা ১৩৫১.৪২ শতাংশ।

আর গত তিন মাসে (জুন-সেপ্টম্বর’১৬) শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৯.৯৫ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ০.২৫ টাকা। সে হিসেবে লোকসান বেড়েছে ৯.৭০ টাকা বা ৩৮৮০ শতাংশ।

তৃতীয় প্রান্তিকে প্রাইম ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২৩ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ২.৩৮ টাকা। সে হিসেবে ব্যাংকটিরইপিএস কমেছে ২.১৫ টাকা।এছাড়া ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ২২.৭০টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৫.৫৬ টাকা যা আগের বছর একই সময়যথাক্রমে ছিল ২৫.৫৪ টাকা এবং ২.৩৬ টাকা। এদিকে, গত তিন মাসে (জুলাই–সেপ্টম্বর’১৬) ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.০৮টাকা (নেগেটিভ)। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.২৭ টাকা।

এদিকে, লোকসানে থাকা আইসিবি ইসলামী ব্যাংক তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.৩০ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.২৩ টাকা। সে হিসেবে ব্যাংকটির লোকসান বড়েছে ০.০৭ টাকা বা ৩০.৪৩ শতাংশ।