ওটিসির ২৩ কোম্পানির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

sec bd
শেয়ারটাইম্‌স২৪ডটকমঃ পুঁজিবাজারের ওভার দ্যা কাউন্টার মার্কেটে (ওটিসি) তালিকাভুক্ত ২৩ কোম্পানির বিরুদ্ধে আইন না মানায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

আইন লঙ্ঘন করা ওটিসির ২৩টি কোম্পানির মধ্যে সর্বশেষ ১৯৯৩ সালে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মেটালেক্স করপোরেশন। এছাড়া ২০০৩ সালে বাংলাদেশ ইলেক্ট্রিসিটি মিটার; ২০০৪ সালে রাসপিট ডাটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন, রোজ হেভেন বলপেন ও পারফিউম কেমিক্যালস; ২০০৭ সালে ফার্মাকো ইন্টারন্যাশনাল; ২০০৯ সালে এক্সেলসিওর সুজ, জার্মান বাংলা জে ভি ফুড ও আমান সি ফুডস ইন্ডাস্ট্রিজ; ২০১০ সালে পেট্রো সিন্থেটিকস, জাগো করপোরেশন ও ড্যান্ডি ডায়িং; ২০১১ সালে কাশেম টেক্সটাইল, কাশেম সিল্ক ও বায়োনিক সি ফুড এক্সপোর্টস; ২০১৩ সালে বাংলা ফাইন সিরামিকস ও মেঘনা শ্রিম্প কালচার; ২০১৪ সালে বাংলা প্রসেস ও আশরাফ টেক্সটাইল এবং ২০১৫ সালে মিতা টেক্সটাইল, গাল্ফ ফুডস, ঢাকা ফিশারিজ ও বাংলাদেশ প্লান্টেশন বার্ষিক প্রতিবেদন দাখিল করেছে। একইসঙ্গে কোম্পানিগুলো বিভিন্ন বছরের প্রান্তিক প্রতিবেদনও প্রকাশ করেনি। ফলে কোম্পানিগুলো করপোরেট গভর্নেন্স কোডসহ সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন করেছে।

কোম্পানিগুলো অব্যাহতভাবে সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন করে চলেছে। বিগত চার বছরের বেশি সময় ধরে বার্ষিক ও আর্থিক প্রতিবেদন দাখিল করছে না এবং করপোরেট গভর্নেন্স কোড পরিপালন না করছে না। এসব কারণে কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তথ্য মতে, ওটিসি মার্কেটে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ৬৪টি ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ৪৯টি কোম্পানি রয়েছে। এর মধ্যে ২৩টি কোম্পানি বিগত চার বছরের বেশি সময় ধরে নির্ধারিত সময়ে বার্ষিক প্রতিবেদন, নিরীক্ষিত বার্ষিক প্রতিবেদন, বিভিন্ন প্রন্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে না। একইসঙ্গে কোম্পানিগুলো বার্ষিক সাধারণ সভাও আয়োজন করছে না। এর ফলে কোম্পানিগুলোর করপোরেট পারফরমেন্স, আর্থিক সক্ষমতা ও করপোরেট গভর্নেন্স প্রাকটিস ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছে বিএসইসি।