পুঁজিবাজারে আগামীতে সকল কিছু অনলাইনে সম্পন্ন হবে: বিএসইসি চেয়ারম্যান

bsecch
শেয়ারটাইম্‌স২৪ডটকমঃ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম বলেছেন, পুঁজিবাজার উন্নয়নে প্রথম ও প্রধান কাজ হবে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধান করা। বর্তমান কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আধুনিক ও যুগোপোযোগী পুঁজিবাজার গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে৷

সোমবার (২ নভেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) নিকুঞ্জ টাওয়ার পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় বিএসইসির কমিশনার খোন্দকার কামালুজ্জামান, অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান ও মো. আব্দুল হালিম উপস্থিত ছিলেন। এদিকে ডিএসইর চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালক অধ্যাপক ড. মাসুদুর রহমান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান, মুনতাকিম আশরাফ, হাবিব উল্লাহ বাহার, অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মাসুদ, শাকিল রিজভী, মোহাম্মদ শাহজাহান, পরিচালক রকিবুর রহমান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ছানাউল হক উপস্থিত ছিলেন।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজারে আগামীতে সকল কিছু অনলাইনে সম্পন্ন হবে। এজন্য ডিএসই’র আইটি বিভাগকে অত্যন্ত শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে। পুঁজিবাজারের জন্য তথ্য অত্যন্ত গরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর এটিকে সুষ্ঠুভাবে সংরক্ষণের জন্য ডিজাস্টার রিকোভারি সিস্টেম তৈরি করতে হবে। উন্নয়নের জন্য জনবল এবং অবকাঠামো উভয় ক্ষেত্রে উন্নয়ন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএসইসি’র কমিশনাররা তাদের বক্তব্যে বলেন, স্টক এক্সচেঞ্জকে কেন্দ্র করেই শেয়ারবাজারের সব ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা সব সময়ই বেশি। আমাদের সবার উদ্দেশ্য, শেয়ারবাজারকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া। এই লক্ষ্যে বিএসইসি ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে৷

এ সময় ডিএসইর চেয়ারম্যান মো. ইউনুসুর রহমান বলেন, শেয়ারবাজারের পরিধি বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে মতিঝিল অফিসে সকল সুযোগ সুবিধার সংকুলান না হওয়ায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ঢাকায় একখণ্ড প্লট বরাদ্দের আবেদন করে৷ প্রধানমন্ত্রী সুদূরপ্রসারী উন্নয়নকল্পে এবং আন্তর্জাতিক মানের স্টক এক্সচেঞ্জ হিসাবে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে ১৯৯৭ সালে ঢাকার নিকুঞ্জে নাম মাত্র মূল্যে ৪ বিঘা জমি বরাদ্দ দেন৷ এই বরাদ্দকৃত জায়গায় ডিএসই’র নিজস্ব অর্থায়নে অত্যাধুনিক সুযোগ সম্বলিত ডিএসই টাওয়ার নির্মিত হয়েছে৷

একবিংশ শতাব্দীর উপযোগী নতুন প্রযুক্তি স্থাপনে সম্ভাবনার নতুন যুগে প্রবেশ করার জন্য ১৯৯৮ সালে শেয়ারবাজারে অটোমেশন পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেয় ডিএসই৷ বর্তমানে ডিএসই বিশ্বের অন্যান্য স্টক এক্সচেজ্ঞের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার সক্ষমতা অর্জন করে৷

পরে এক প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে ডিএসই’র মহাব্যবস্থাপক মো. ছামিউল ইসলাম ডিএসই টাওয়ারের ওপর সংক্ষিপ্ত বিবরণী উপস্থাপন করেন।