৩ মাস নয়, এক মাসের মধ্যেই আইপিওর অনুমোদন: শিবলী রুবাইয়াত

bsecchairman
শেয়ারটাইম্‌স২৪ডটকমঃ তিন মাসে নয়, সব কাগজপত্র ঠিক থাকলে এক মাসের মধ্যেই কোম্পানিকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসির) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম।

তিনি বলেন, গত তিন থেকে চার বছরের জমে থাকা আইপিওর আবেদনগুলো প্রায় শেষ। নতুন করে যেসব কোম্পানি আবেদন করবে তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে তিন মাস নয়, কাগজপত্র ঠিক থাকলে এক মাসের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে। আমরা আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সময় ক্ষেপণ করবো না।

আজ শনিবার বিএমবিএ ও ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরাম (সিএমজেএফ) এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত শেয়ারবাজারের সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে ওয়েবিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, আমাদের এখন সারাদিনের সকল কার্যক্রমের মধ্যে অন্যতম একটি বিষয় হচ্ছে দেশের শেয়ারবাজারকে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো।এটাই এখন আমাদের চিন্তা ভাবনার মূল ধারনা এবং এই লক্ষ্যেই কমিশন কাজ করছে বলে জানিয়েছেন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, বাজারে ভালো আইপিও আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন। আইপিও অনুমোদন দেয়ার ক্ষেত্রে কোম্পানির বিগত বছরগুলোর ব্যবসা পর্যালোচনা করছি। বিশেষ করে কোম্পানিটির পেউডআপ ক্যাপিটাল কতো, ৫ বছরের ট্যাক্স রেকর্ড বিশ্লেষণ করছি।

তিনি বলেন, মিউচ্যুয়াল ফান্ডকে আরও জনপ্রিয় করতে চাই। গত কয়েক বছরে অনেক ফান্ড বিনিয়োগকারীদের কোনো রিটার্ন দিচ্ছেনা এটা ঠিক না। এ সময়ে অনেক মিউচ্যুয়াল ফান্ড লভ্যাংশ দিলেও কিছু ফান্ড দিচ্ছে না।

তিনি বলেন, গত তিন থেকে চার বছরের জমে থাকা আইপিওর আবেদনগুলো প্রায় শেষ। নতুন করে যেসব কোম্পানি আবেদন করবে তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে তিন মাস নয়, কাগজপত্র ঠিক থাকলে এক মাসের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে। আমরা আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সময় ক্ষেপণ করবো না।

বাজারকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) পুনসংস্কার করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আইসিবিকে ফান্ড দিয়ে আরও শক্তিশালী করতে হবে। বাজারের নেগেটিভ ইক্যুইটিগুলো দূর করতে বিশেষ ফান্ড আসছে। সুদ কমিয়ে আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, বাইব্যাক পদ্ধতি চালু করা হবে। এক্ষেত্রে বাইব্যাক পলিসির কাজ করা হচ্ছে। বাইব্যাকের জন্য কোম্পানি আইনে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। বাজার গ্রিন ফিল্ড কোম্পানি আনা হবে। এ ক্ষেত্রে ই-কমার্স কোম্পানিগুলোকে অনুমতি দেওয়া হবে। অর্থাৎ একটি গতিশীল পুঁজিবাজার গড়ে তোলা হবে।

শেয়ারবাজার ডিজিটাইলড করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিদেশ থেকে একটি টিম আসছে। চলতি সপ্তাহে ডিএসই পরিদর্শন করবে। পুঁজিবাজারকে ডিজিটাইল করা হবে। তিনি বলেন, সিডিবিএলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ন্যাশনাল আইডির মাধ্যমে কিভাবে অনলাইনে বেনিফিশিয়ারি একাউন্ট (বিও) খোলা যায় সেই লক্ষে কাজ করা হচ্ছে।